প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ ।লেজার ট্রিটমেন্ট সৌন্দর্যচর্চায় এনেছে ভিন্নমাত্রা। এটি এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি। চিকিৎসার মাধ্যমে ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখা বা বাড়িয়ে তোলা অথবা বডি শেপিং করা, সবই সম্ভব লেজারের বদৌলতে। ব্যথামুক্ত এবং কোনো রকম কাটা-চেড়া ছাড়াই করা যায় এ চিকিৎসা। তাই দিন দিন এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেহেতু এটি একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, তাই লেজার করাতে হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রয়োজন। আপনি যেখানেই লেজার ট্রিটমেন্ট করাতে চান না কেন অবশ্যই চিকিৎসকের কোয়ালিফিকেশন দেখে নিন। যিনি লেজার ট্রিটমেন্ট দিবেন তিনি একজন ডারমাটোলোজিস্ট হবেন এবং লেজার বিষয়ে তার একটি বিশেষ ডিগ্রি থাকবে। এমন বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানেই আপনি লেজার ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন। সূর্যের আলোর একটি নির্দিষ্ট ওয়েভ লেংথকে আলাদা করে তার ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে মানুষের শরীরে বিশেষ পরিবর্তন আনা সম্ভব। লেজার করা হয় এমনই এক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি একটি ফোটন রশ্মি, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক নয়। তাই নিশ্চিন্তে এ চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়। লেজারের মাধ্যমে মুখের বলিরেখা, ব্রণ সমস্যা, মুখের কালো দাগ, চুল পড়া, জন্ম দাগ, অবাঞ্ছিত লোম তোলা, বডি শেপিং – এসব কিছুই করা সম্ভব। লেজার ট্রিটমেন্ট এর জন্য কয়েকটি সেশনের প্রয়োজন। চিকিৎসার সুফল পেতে হলে ধৈর্য্য ধরে সবকটি সেশনেই অংশ নিতে হবে। যদি না করা হয়, তবে সমস্যাগুলো আবার দেখা দেয়। মুখে ব্রনের দাগ, পক্সের দাগ, মেছতা অথবা জন্মদাগ, এগুলো সাধারণ চিকিৎসা বা সাধারণ রূপচর্চায় দূর করা সম্ভব না। সেক্ষেত্রে লেজারের অ্যান্টি মার্কস ট্রিটমেন্ট চিকিৎসা নিলে দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। লেজার ট্রিটমেন্ট এর কিছু সাইড ইফেক্ট হতে পারে। এগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। যেমন-০১. সানবার্নের মতো ইফেক্টঃলেজার করার পর ত্বকে সানবার্নের মতো পোড়া ভাব দেখা যেতে পারে। দেখে মনে হতে পারে পুড়ে গেছে। কিন্তু এটা অস্থায়ী। কিছুদিন পর সেরে যায়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে আক্রান্ত স্থানে ধরা, চুলকানো এগুলো যেন করা না হয়। এতে স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে।০২. ব্যথাঃলেজার ট্রিটমেন্ট এর পর একটু ব্যথা হতে পারে কিন্তু যেহেতু এই চিকিৎসায় কোন কাটাচেঁড়ার ব্যাপার নেই,তাই ব্যথা দ্রুত কমে যায়।০৩. পিগমেনটেশনঃচিকিৎসার পর ত্বকের রং পরিবর্তন হতে পারে। ত্বকে গাঢ় রং হতে পারে অথবা রং হালকা হয়ে যেতে পারে। কিছু কিছু স্থায়ী হলেও অধিকাংশই অস্থায়ী।০৪. ত্বকের নিচে লাল লাল ফোটা হতে পারে। এটা মূলত রক্ত জমে হয়।০৫. লেজার দেয়া ত্বক এবং সাধারণ ত্বকের মাঝে ভেদকারী লাইন দেখা যেতে পারে।০৬. স্কার গঠন হতে পারে।করনীয়ঃ০১. আপনি যদি লেজার ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করতে চান, তাহলে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আসলেই চান কিনা অথবা সাধারণ চিকিৎসা নিতে চান কিনা।০২. আপনার মন স্থির করুন এবং প্রস্তুতি নিন।০৩. লেজার ট্রিটমেন্ট এর পর ৬ সপ্তাহ সূর্যালোক এড়িয়ে চলুন।০৪. কোন সমস্যা হলে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।০৫. শুধু লেজার চিকিৎসাই না, পাশাপাশি আরও নিয়ম মেনে চলুন। যেমন – খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রন করা, ব্যায়াম করা, সাধারণ রোগের চিকিৎসা করা ইত্যাদি। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি । আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়া কে জানাবেন ,রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও