প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কি অন্য কোন সমস্যা হচ্ছে?আপনি কি ধরনের কাজ করেন?আপনাকে কি গন পরিবহন ব্যবহার করেছেন?আপনি কি এরমধ্যে  ঝুকিপূর্ণ কোন জায়গায় যেমন বাজার,মসজিদ,রাস্তায়, গিয়েছেন?আমাদের জানাবেন।আপনি যদি ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে বা আপনার আশে পাশে সংক্রমিত কারো সংস্পর্শে এসে থাকেন অথবা কোয়ারেন্টাইনে থাকা কারো সংস্পর্শে এসে থাকেন,সেক্ষেত্রে আপনার হাচি,কাশি,জর, গলা ব্যাথা বা শাষকষ্ট হলে দ্রুত আই ই ডি সি আর হাসপাতালের এই ১৬২৬৩ বা ৩৩৩ নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। ঠাণ্ডা লেগে বুকে শ্লেষ্মা বা কফ জমলে বেজায় অস্বস্তি হয়। সেই সঙ্গে থাকে গলায় বা বুকে ব্যথা,কাশি। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য রয়েছে প্রচলিত প্রাকৃতিক পন্থা।  ১)লেবু ও মধুঃএক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। প্রতিদিন দুতিনবার এই পানীয় খেতে হবে। মধু বুক ও গলায় আরাম দেবে আর লেবুর ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।    ২)গরম দুধঃগরম দুধে মধু, হলুদ, গোলমরিচ মিশিয়ে খাওয়া বুক কফ জমা ও সর্দি-কাশি সারাতে অত্যন্ত উপকারী। হলুদে আছে ব্যাকটেরিয়া ও সংক্রমণ রোধকারী উপাদান, গোলমরিচ হজমে সাহায্য করে, সারায় কফ ও সর্দি। প্রতিদিন দুবার পান করতে হবে।  ৩)কুসুম গরম পানি পানঃঠাণ্ডা লাগলে কুসুম গরম পানি পান করলে গলায় আরাম হয়। বুকে জমা কফও সেরে উঠতে থাকে ক্রমেই। শ্বাসনালী ও বুকে জমে থাকা সর্দি গলিয়ে ফেলতে কুসুম গরম পানি অত্যন্ত কার্যকর।    ৪)গরম পানি দিয়ে গড়গড়াঃবুকে জমা কফ ও গলার সমস্যা সারাতে এই পদ্ধতি সম্ভবত সবচাইতে বেশি প্রচলিত। এক গ্লাস গরম পানিতে আধা টেবিল-চামচ লবণ মিশিয়ে এক থেকে দুই মিনিট গড়গড়া করতে হবে। দিনে তিন থেকে চারবার পদ্ধতিটি অনুসরণ করলে বেশি উপকার মিলবে। তবে এই পানি গিলে ফেলা যাবে না।    ৫)চাঃআদা, পুদিনা-পাতা, ক্যামোমাইল, রোজমেরি মিশিয়ে চা বানিয়ে পান করাও এক্ষেত্রে বেশ উপকারী। চিনির বদলে মধু ব্যবহার করলে মিলবে বাড়তি উপকার। চা ভালো না লাগলে আদা চিবিয়ে খেতে পারেন।    আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও