প্রিয় গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদগ্রাহক,আপনাকে শুভেচ্ছা আপনি মা হতে চলেছেন, আপনার এবং আপনার হবু সন্তানের সুন্দর স্বাস্থ্য কামনা করছি।গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ খাওয়া যাবেনা।আপনার কতদিন ধরে কাশি হয়েছে ? সাথে সর্দি আছে ? কাশিতে কফ আছে ? অন্যকোন সমস্যা আছে? আমাদের জানান।গর্ভাবস্থায় হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে মায়ের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে মা খুব সহজেই নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে।বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সর্দি-কাশি এক সপ্তাহের মধ্যেই কোন ওষুধ ছাড়াই নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। বাচ্চার শরীরের উপর এর কোন প্রভাব পড়ে না।যদি ঠাণ্ডা লেগেই যায় তাহলে মাকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। পাশাপাশি বেশি বেশি পানি পানকরতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। খুব কম ওষুধই গর্ভাবস্থায় নিরাপদ। তাই যেকোন ধরনের ওষুধ গ্রহণের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে। অবশ্য অনেক সময় ওষুধ ছাড়াই ঘরোয়া উপায়ে সর্দি-কাশি নিরাময় সম্ভব।সর্দি-কাশি নিরাময়ের কিছু ঘরোয়া উপায় ঃ-১. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবেঠাণ্ডা লাগা থেকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সর্দি-কাশিকে অবহেলা করা যাবে না একেবারেই। ঠাণ্ডা লাগলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।২. ফুটন্ত পানির ভাপ নেয়া যেতে পারেএকটি গামলায় ফুটন্ত পানি নিন। তারপর গামলার উপরে মুখ নিয়ে গরম পানির ভাপ টেনে নিন। নাক বন্ধ থাকলে এটি প্রাকৃতিকভাবে সমাধান করবে।৩. হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে গার্গল করা যেতে পারেগলা খুসখুস করলে গার্গল করুন। এটি খুসখুসে কাশি দূর করার জন্য খুবই কার্যকর পদ্ধতি। হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে গার্গল করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে দুই থেকে তিনবার গার্গল করলে গলা ব্যথা ও খুসখুসে ভাব কমে যাবে। চাইলে গার্গলের পানিতে লবঙ্গ অথবা আদা কুচি মেশানো যেতে পারে।৪. আদা চা পান করলে উপকার পাওয়া যায়সর্দি-কাশি অথবা গলা ব্যথায় আদা চা খুবই কার্যকর। আদা চায়ের নানা রকম ভেষজ গুণ রয়েছে। ফলে এ চা ঠাণ্ডা লাগার অস্বস্তি থেকে দ্রুত মুক্তি দেয়।৫. মধু খাওয়া যেতে পারেমধু চটজলদি সর্দি-কাশির উপশম করে। বিশেষ করে সর্দি দূর করতে মধু খেলে খুবই উপকার পাওয়া যায়। চাইলে চায়ের সঙ্গে মিলিয়েও মধু খাওয়া যেতে পারে।এছাড়া লেবু এবং মধু একসঙ্গেও খাওয়া যায়। এতেও ভালো ফল পাওয়া যায়।কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে:১. যদি জ্বর ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি থাকে।২. কাশির সাথে যদি রক্ত যায়।৩. যদি সবুজাভ বা হলুদ রংয়ের কফ থাকে।৪. যদি কাশির সাথে শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা থাকে।৫. নিঃশ্বাসের সাথে যদি শোঁ শোঁ শব্দ হয়।৬. সর্দি-কাশি যদি এক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়৭. গর্ভবতী মা যদি শারীরিকভাবে অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়েপ্রতিরোধের উপায়:১. মাকে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে,২. নিয়মিত ভিটামিন সি যুক্ত ফল-মূল খেতে হবে,৩. মায়ের পর্যাপ্ত ও পরিমিত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে,৪. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে,৫. যথাসম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে,৬. আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছিআর কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের জানাবেনসব সময়  পাশে রয়েছে মায়া   

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও