প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি যে ওষুধের কথা বলছেন, তা হল ভিটামিন-ই সাপ্লিমেন্ট।এটি পানি দিয়ে গিলে খাবেন।ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ি ভিটামিন -ই সাপ্লিমেন্ট ২০০ অথবা ৪০০ IU দিনে একবার খাওয়া যেতে পারে।তবে প্রাকৃতিক উপায়ে এই ভিটামিন পেতে চাইলে রয়েছে অসংখ্য খাবার যেমন সয়া, অলিভ অয়েল, ভুট্টা ইত্যাদি।ভিটামিন -ই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ড হিসেবে কাজ করে থাকে। কোষ নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচতে শরীরে চাই অ্যান্টঅক্সিডেন্ট উপাদান ।এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষের জন্য ক্ষতিকারক মুক্ত মৌলের সঙ্গে লড়াই করে।দূষণ এবং ধূপমান থেকে শরীরে ক্ষতিকারক মুক্ত মৌল তৈরি হয়।রোগ প্রতি রোধ ক্ষমতা: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন-ই ’তে ভরপুর খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।‘ইমিউন সেল ’বা রোগপ্রতিরোধ কারী কোষ তৈরি সহায়ক, যা শরীরে তৈরি করে ব্যাকটেরিয়া-নাষক অ্যান্টিবডি।ক্ষত সারাতে: বাজারে ভিটামিন-ই যুক্ত তেল পাওয়া যায় যা ক্ষত সাড়াতে সাহায্য করে থাকে।ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে এর রয়েছে নানান উপকারীতা।এর মধ্যে একটি হল কাটা ছেড়ার ক্ষত ও ব্রণ সারানো। বয়সের ছাপ দূর করা: কোষ পুণর্গঠন প্রক্রিয়ার জন্য ভিটামিন-ই উপকারী হওয়ায় এটি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সক্ষম।অকালে পাকা চুল: চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন-ই একটি গুরুত্ব পূর্ণ উপাদান।চুল পড়া, অল্প বয়সে চুল সাদা বা ধুসর হওয়া থেকে বাঁচতে চাই ভিটামিন-ই।আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জানাবেন, পাশে আছে মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও