প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আপনার প্রশ্ন থেকে অনুভব করতে পারছি আপনি আপনার দাম্পত্য জীবন নিয়ে অনেক সচেতন।গ্রাহক আপনার হাজবেন্ড আপনার জন্য অমনোযোগী বলতে তিনি আপনার প্রতি উদাসীন এমন কিছু বুঝাচ্ছেন? আপনাদের বিয়ে হয়েছে কতদিন?কিছু কি হয়েছে বা কোনো বিষয়ে কি মনোমালিন্য হয়েছে যার পর থেকে এমন হচ্ছে বলে মনে হয়?আসলে প্রতিটি সর্ম্পকে ভালোবাসার পাশাপাশি শ্রদ্ধাবোধ ও আস্থা থাকাটা অপরিহার্য।  জীবনে সুখ-দুঃখ সমানভাবে ভাগ করে নেয়ার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ নিহিত। একে অন্যের  মনকে বুঝার চেষ্টা করুন। মাঝে মাঝে একে অন্যকে উপহার দিতে পারেন, মাঝে মাঝে দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন, একে অন্যের  মনের দাম দিন দেখবেন তাহলে সর্ম্পকটা ভাল যাবে।একে অন্যের মাঝে মিল বা সমোঝোতা থাকলে সর্ম্পক ভাল যায়, তখন টান টাও বাড়ে।একে অন্যের চাহিদা গুলো বুঝার চেষ্টা করুন তাহলে দেখবেন জীবন টা সুখের হবে। সব কিছু শেয়ার করুন নিজেদের মাঝে।বেশি বেশি নিজেদের মাঝে শেয়ারিং করতে পারেন প্রতিদিন যা ঘটে, পাশাপাশি একে অন্যকে ছাড় দেয়ার চেষ্টা করা প্রয়োজন। দেখবেন এই বিষয় গুলো সর্ম্পকে ভাল রাখবে।পাশাপাশি মানুষ সব চেয়ে বেশি খুশি হয় তার মনের মতন আচরণ পেলে তাই আপনি তার ভাল লাগার জায়গা গুলো জানার চেষ্টা করতে পারেন এবং সে অনুযায়ি তার সাথে আচরণ করতে পারেন।কোনো বিষয়ে মনোমালিন্য থাকলে সেটা সমাধান করার চেষ্টা করতে পারেন।অনেক সময় ছোট ছোট কষ্ট, অভিমান জমে জমে অনেক বড় আকার নেয়।তখন ছোট কোনো বিষয়ে ও ঝগড়া বিবাধ এর সৃষ্টি হতে পারে।যখন আপনি অফিসে বা ব্যস্ত থাকেন তখন ১মিনিট এর জন্য হলেও তার একটু খোঁজ নিতে পারেন।এভাবে ২/৩বার বাইরে থেকে/কাজের মধ্যে কথা বললে তার মন ভালো থাকবে তিনি বুঝবেন ব্যস্ত থেকেও আপনি তার খেয়াল রাখছেন।মাঝে মাঝে  তার কোনো পছন্দের খাবার বা নতুন কিছু রান্না করে সারপ্রাইজ দিতে পারেন এতে তিনি অনুভব করবেন আপনি তার পছন্দের খেয়াল রাখেন।যেদিন বাসায় দুজন ছুটিতে থাকেন সেদিন তার সাথে বসে কিছুক্ষন গল্প করতে পারেন একসাথে ছাদে যেতে পারেন,একটা সিনেমা দেখতে পারেন।এসব ছোট ছোট বিষয় গুলো সম্পর্ক ভালো রাখতে খুব কাজে লাগে।সেই সাথে আপনি তাকে কিভাবে পেতে চান, তার কোন আচরন গুলো আপনার কষ্ট লাগে এবং আপনার কোন আচরনে তার কষ্ট হয় তিনি কিভাবে আপনাকে পেলে খুশি হবে এই বিষয় গুলো নিয়ে আলোচোনা করা যায় কিনা ভেবে দেখতে পারেন। আলোচোনার মাধ্যমে একটা সমাধান বের হয়ে আসবে আশা করি।আশা করি কিছু টা সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়া কে জানাবেন। আপনার প্রয়োজনে রয়েছে পাশে সব সময় মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও