প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কতদিন ধরে আপনারা বাচ্চা নেওয়ার চেস্টা করছেন?  কোন জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি ব্যবহার করতেন ? গ্রাহক ,কনসিভ করার আগে যে কথাটি মনে রাখতে হবে তা হলো হতাশ হওয়া যাবে না. এরজন্য  সকল টেনশন থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করতে হবে . সবসময় পুষ্টিকর খাবার এবং প্রচুর পানি খেতে হবে . যথেষ্ট বিশ্রাম নিতে হবে .  মাসিক যদি নিয়মিত হয় বা মাসিক চক্র ২৮-৩২ দিন এর মধ্যে হয় তাহলে  জানতে হবে যে, পরবর্তী মাসিকের এর ১০দিন থেকে ১৬ দিন আগে মেয়েদের শরীর থেকে ডিম্বাণু বের হয়,অর্থাৎ ওভ্যুলেশন হয়। তখন যদি এইসময়ে সহবাস করে তাহলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।অনেক চিহ্ন আছে যার মাধ্যমে  বলতে পারবেন কখন  ওভ্যুলেট করছেন। কিছু বিষয়ের উপর নজর রাখতে হবে যেমন ধরুন শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, vaginal discharge এ পরিবর্তন লক্ষ্যনীয় (পাতলা সূতার মত পরিমানে বেশী ওভ্যুলেশনের সময়)। প্রথমে  যে কোন ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ যা ব্যবহার করছেন বন্ধ করতে হবে। এরপর কোন নারীর fertility সাথে সাথে ফেরত আসতে পারে আবার কারো ক্ষেত্রে বেশী সময় লাগতে পারে যা অনেকটাই নির্ভর করে তিনি কি ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যাবহার করছেন তার উপর। ওভ্যুলেশন সাধারণত ঘটে পরবর্তী পিরিয়ডের ১০-১৬ আগে।  পিরিয়ড যদি নিয়মিত থাকে, ওভ্যুলেশন ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে সহজেই বলতে পারবেন কোন সময়  সবচেয়ে fertile। প্রেগন্যান্ট হতে আগ্রহী এই fertile সময়ে প্রতিদিন বা একদিন পর পর unprotected sex করা উচিত। কোন ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা ছাড়া নিয়মিত ১ বছর শারীরিক মিলনের পরও কোন দম্পতির যখন সন্তান হয় না তখন তাকে বন্ধ্যত্ব বলে।সাধারন ভাবে ১ বৎসর চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। যে মেয়েদের বয়স ৩৬ এর বেশি বা কোন কারনে গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন, তারা আগেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সম্ভাব্য কারন গুলো পরীক্ষা করে দেখবেন এবং সে অনুযায়ী  ব্যবস্থাপনা দিবেন। কারনসমূহঃ অনেক গুলো সম্ভাব্য কারন আছে, এবং এটা স্ত্রী, পুরুষ উভয়েরই হতে পারে। মূল কারন অনেক সময়ই খুজে পাওয়া যায় না। #মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রধান কারন গুলো হলো - অতিরিক্ত ওজন, হরমনের তারতম্য ঠিকমত ডিম্বস্ফুটন (ovulation) না হওয়া, polycystic ovarian syndrome, ডিম্ববাহী নালীতে কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়া এবং এন্ডোমেট্রিয়সিস (endometriosis)। #পুরুষের ক্ষেত্রে বন্ধ্যত্বের কারন হলো বীর্য সংক্রান্ত। দেখা গেছে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করলে, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালে বন্ধ্যত্ব প্রতিরোধ করা যায়। চিকিৎসাঃ বন্ধ্যত্বের যে সকল চিকিৎসা রয়েছে তা হল ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা, অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা,বিশেষ ব্যবস্থায় গর্ভধারণের ব্যবস্থা করা যেমন IUI (Intra Uterine Insemination) বা IVF (In vitro fertilisation) ।  কারন অনুযায়ী যে চিকিৎসা  প্রযোজ্য সে চিকিৎসাই  দেয়া হবে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও