প্রিয় গ্রাহক, আপনার মনের কথা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। যেকোন অসুবিধা থেকে বের হয়ে আসার জন্য প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে ব্যক্তির সচেতনতা। আপনি নিজে উদ্দোগী হয়েছেন এব্যাপারটি ইতিবাচক। আপনি লিখেছেন মানুষকে দেখলে হাত পা কাঁপে। আপনার কতদিন ধরে এই অসুবিধাটি হচ্ছে? এর আগে এমন কিছু কি ঘটেছিল যার প্রভাবে আপনার এই অসুবিধা হচ্ছে? সে সময়ে আপনার কেমন অনুভূতি হয় বিস্তারিত জানাবেন কি? গ্রাহক, আমরা কেমন অনুভব করব তা নির্ভর করে আমাদের চিন্তার ধরণের উপর। যখন আমরা নেতিবাচক চিন্তা করি তা আমাদের মনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ( আমরা উদ্বেগ, ভয়, হতাশা ইত্যাদি অনুভব করি) যা আমাদের আচরণকে প্রভাবিত করে। ফলশ্রুতিতে আমাদের অভ্যন্তরীন ও বাহ্যিক শারীরিক লক্ষণ দেখা যায়। যেমনঃ ঘন ঘন শ্বাস পড়া, দম বন্ধ লাগা, বুক ভার ভার লাগা, ধড়ফড় করা, হাত/ পা কাঁপা বা অবশ লাগা, হাত- পা জ্বালাপোড়া করা, মাথা ঝিম ঝিম করা, মাথা ঘুরানো, ব্যথা করা, মাথা থেকে গরম ভাপ উঠা, গলা শুকিয়ে যাওয়া ও পিপাসা লাগা, দুর্বল লাগা ইত্যাদি। সাধারণত এ ধরণের সমস্যা যাদের থাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে উদ্বেগ এর কারণে হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত ভয় বা অস্বস্তি বোধ করে এবং উত্তেজিত হয়ে পড়ে। যার কারণে বিভিন্ন রকম শারীরিক লক্ষণ দেখা যায়। আপনি নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন ( যখন আমরা ভয় পাই বা দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ হয় আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক গতি ব্যহত হয়। ফলে শরীর ও মনে অস্থিরতা অনুভব করি। যেভাবে করবেন - বুক ভরে শ্বাস নিন, ৫ সেকেন্ড ধরে রাখার চেষ্টা করুন এরপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।এভাবে কয়েক মিনিট অনুশীলন করুন । )আপনি নিজের নেতিবাচক চিন্তাগুলো সনাক্ত করে তার সত্যতা যাচাই করতে পারেন। কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করে সত্যতা যাচাই করা যায়। বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে। যেমনঃএই চিন্তাগুলো আমাকে কিভাবে সাহায্য করছে, এই চিন্তা করার সুবিধা অসুবিধা কি, কি প্রমাণ আছে আমি যেভাবে ভাবছি সেটিই সত্যি হবে, আমি যা ভাবছি তার বিকল্প কি হতে পারে? সর্বোচ্চ কি ক্ষতি হতে পারে ইত্যাদি। এভাবে চিন্তাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিবাচক ভাবে ভাবতে পারেন। অস্বস্তি দূর করার কার্যকর উপায় হচ্ছে আপনি যে পরিস্থিতি অস্বস্তি বোধ করেন তার মুখোমুখি হওয়া। উদ্বেগ থেকে যেসব কাজ এড়িয়ে চলেন সেসব কাজ করা শুরু করতে পারেন। এড়িয়ে চলা আমাদের সাময়িক স্বস্তি দিলেও দীর্ঘমেয়াদে আমাদের সমস্যাকে মেইনটেইন করে। অতীত ও ভবিষ্যতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবনায় ডুবে না থেকে মাইন্ডফুলনেস প্র্যাক্টিস করতে পারেন। যেমনঃ সে মুহূর্তে যে কাজটি করছেন তা সচেতনভাবে পর্যবেক্ষণ করা। যে খাবারটি খাচ্ছেন তার স্বাদ, ঘ্রাণের দিকে মনোযোগ দিয়ে খাওয়া, হাত দিয়ে কাজ করার সময় স্পর্শ বোঝার চেষ্টা করা। সামনের জিনিসপত্রের কালার পর্যবেক্ষণ করা ইত্যাদি। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ সাইকোলজিস্টের সহযোগীতা নিতে পারেন। আশা করি আপনাকে কিছুটা সহযোগীতা করতে পেরেছি। বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে আপনি পরবর্তীতে সহযোগীতা পেতে পারেন। নতুন কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। মায়া আছে আপনার পাশে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও