প্রিয় গ্রাহক, আপনার মনের কথা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি লিখেছেন মুড সুইং এর লক্ষণ রয়েছে। কি ধরণের অসুবিধা হয় জানাবেন কি?আপনি কি কোন রকম মানসিক চাপ অনুভব করেন? গ্রাহক, আমরা কেমন অনুভব করি তা নির্ভর করে আমাদের চিন্তার ধরণের উপর এবং সে অনুযায়ী আমরা বিভিন্নরকম আচরণ করে থাকি। আপনার কি ধরণের চিন্তা আসে জানাবেন কি? নিজের নেতিবাচক চিন্তা সনাক্ত করে ইতিবাচকভাবে ভাবতে পারেন।নিজের মন ভাল রাখতে  নিজের শরীরের যত্ন নিন। পর্যাপ্ত ঘুমান। প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। সময়মত পর্যাপ্ত খাওয়া দাওয়া করুন। প্রচুর পানি পান করুন। যখন আমাদের শরীর ভাল থাকে তা আমাদের মন ভাল রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন নিজের পছন্দের ছোট ছোট কাজ করুন। রোদে বা প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এটি শরীর ও মনকে রিলাক্স রাখবে। বেশিরভাগ সময়ে একা না থেকে আপনার জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলো খেয়াল করুন। তাদের সাথে সময় কাটান। আপনি লিখেছেন অনেক ঝগড়া হয়। দ্বাম্পত্য সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করতে পারেন। দাম্পত্য সম্পর্কে যোগাযোগ উন্নত করার জন্য কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমনঃ যোগাযোগ হঠাত করেই খারাপ হয়ে যায় না। এর শুরু হয় আমাদের নেতিবাচক চিন্তা ও আবেগ দিয়ে। যখন আমরা আমাদের বিভিন্ন নেতিবাচক চিন্তার মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে যাই তখন তা আমাদের যোগাযোগে ও সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর তাই কথা বলার আগেই খেয়াল করুন আপনার মনের ভেতরে কি চলছে। আপনার চিন্তা ও আবেগ বুঝার চেষ্টা করুন এবং তা ইতিবাচক ভাবে প্রকাশ করুন। একে অপরের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করুন। একজন কথা বলার সময় হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকুন। একে অন্যকে কথা বলার সুযোগ করে দিন। সঙ্গীর কোন কথা বা কোন বিষয়ে মতামতের ভিন্নতা থাকলেও তা মূল্যায়ন করুন। মূল্যায়ন করার মানে এই নয় যে বিষয়টি আপনি মেনে নিচ্ছেন। বরং এর মানে হচ্ছে এটা প্রকাশ করা যে আপনি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। প্রত্যেকটি মানুষ আলাদা এবং প্রত্যেকেরই দৃষ্টিভংগীর ভিন্নতা রয়েছে। সংগীর দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করুন। যে বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করছেন তার পেছনের কারণ বুঝার চেষ্টা করুন। দাম্পত্য আন্তঃসম্পর্ক বজায় রাখা বা উন্নতি ঘটানোর জন্য বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। যেমনঃ১। কথা বলার সময় কোন রকম অসম্মান করে কথা না বলা। আক্রমণাত্মক কথা না বলে ভদ্রতা বজায় রেখে আলোচনা করার চেষ্টা করা।২। তর্ক করা থেকে বিরত থাকুন।৩। নিজে নিজে অনুমান না করে নিয়ে জিজ্ঞাসা করুন.৪।আপনার পার্টনার বা সংগী আপনার মন পড়তে পারেন অথবা আপনি আপনার সংগীর মন পড়তে পারেন এমনটা প্রত্যাশা করবেন না। ৫। মনোযোগ দিয়ে সংগীর কথা শোনার চেষ্টা করুন এবং সে অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া করুন। আপনার অনুমানের ভিত্তিতে প্রতিক্রিয়া দেখানো থেকে বিরত থাকুন। ইতিবাচক বিষয়গুলো বেশি খেয়াল করার চেষ্টা করুন। কোন অসুবিধার বিষয়ে সংগীকে সমালোচনা করার পরিবর্তে পুনঃমূল্যায়ন করুন এবং আলোচনা করুন। একে অন্যের অনুভূতির ব্যাপারে কৌশলী ও সংবেদনশীল হোন কিন্তু এড়িয়ে যাবেন না। ছোট্ট ইতিবাচক পরিবর্তনকেও মূল্যায়ন করুন এবং সংগীকে প্রশংসা করুন। এই বিষয়গুলো প্রয়োগ করে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করতে পারেন। আশা করি আপনাকে কিছুটা সহযোগীতা করতে পেরেছি। বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে আপনি পরবর্তীতে সহযোগীতা পেতে পারেন। নতুন কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। মায়া আছে আপনার পাশে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও