আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমাদের কিছু তথ্য জানার ছিল। আপনার ওজন এবং উচ্চতা কত? আপনার জানামতে থাইরয়েড বা অন্য কোন হরমোন জাতীয় সমস্যা আছে? অনিয়মিত পিরিয়ড বলতে ২১ দিনের আগে এবং ৩৬ দিনের পরের পিরিয়ডকে বুঝায়। মেয়েদের শরিরে মাসিক প্রধানত দুটি হরমোন নিয়ন্ত্রন করে সেটি হোল ইস্ট্রজেন এবং প্রজেস্টেরন। অনিয়মিত মাসিক অনেক কারনেই হতে পারে যেমন- ইস্ট্রজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোন এর তারতম্য হলে, কোন কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করলে, শরীরের রক্ত কমে গেলে, কারও কারও ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে গেলে, দৈনন্দিন কাজে খুব বেশি পরিবর্তন আসলে। শরীরে উচ্চতা অনুযায়ি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পেলে অনেকের মাসিক বন্ধ হয়ে যায়। অতিরিক্ত ওজনের ফলে আরো শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয়।প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কেননা শরীরে পানি ঘাটতি থাকলে ইউরেটরে ইনফেকশন সৃষ্টি হয়। এত করে মাসিক হতে বিলম্ব করে। তাই পরিমান মতো পানি পান করতে হবে। বেশি করলে ক্ষতি নেই।     নিয়মিত সুষম ও প্রোটিন জাতীয় খাবার খান, তাজা মাছ মাংস সবুজ শাক-সবজি ও ফলমূল নিয়মিত খেতে হবে। শরীরে রক্ত শূণ্যতা বা ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মাসিক হতে দেরি হয়। তাই খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে। শরীরকে ফিট রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ঠিক মতো গোসল, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকা, সঠিক টাইমে খাবার গ্রহণ ইত্যাদি মেনে চলতে হবে। মোট কথা আপনার শরীর যদি ফিট না থাকে তাহলে মাসিক হতে বিলম্ব হতে পারে।        যদি ২ -৩ মাস পার হয়ে যায়, এরপর ও মাসিক হচ্ছে না ,তা হলে আপনি ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে পারেন। দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন, প্রচুর পানি এবং পুষ্টিকর খাবার খান। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আপনার আর কোন জিজ্ঞাসা থাকলে প্রশ্ন করুন।মায়া সবসময় আপনাদের পাশে আছে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও