Popular Topics

আমার বিয়ের বয়স মাত্র ২ মাস হলো। আমাদের পারিবারিক বিয়ে হয়।বিয়ের পর আমি আবিস্কার করি আমার স্ত্রী মানসিক সমস্যায় ভুগছে। স্ত্রীর বয়স ২৩ বছর।সে কোন প্রকার মানসিক চাপ নিতে পারেনা। যেমন বিয়ের পর সংসারের টুকটাক রান্না করতেই হবে, পাশা পাশি সে পড়াশুনা করবে। কিন্তু এটা তার কাছে অনেক বড় প্রেশার মনে হয়। আর আমি যদি অফিসের তাড়ার কারনে গোসল করে কাপড়টা না ধুয়ে ফেলে রেখে চলে যায় কিংবা তার রান্নার সময়ে একটু যদি তাকে হেল্প না করি  যেমন একটু পেয়াজ ছিলে দেওয়া, শাক বেছে দেওয়া না করি তাহলে সে মনে করে তার স্বামী তাকে কোন ভাবেই হেল্প করেনা, সে একা কিভাবে সব করবে! আর সে ৯৯% নেগেটিভ জিনিস রিসিভ করে। আমাকে সর্বদায় চিন্তা করে কথা বলতে হয় যে এই বুঝি এই কথাটা সে নিগেটিভ ভাবে ধরে নিবে। ছোট্ট একটা উদাহরণঃ বিয়ের পর আমার ছোট খালা সবাইকে চা বানিয়ে খাওয়ে ছিলেন। সে সময় আমার স্ত্রীর চায়ের লিকার একটু বেশি হয়ে গিয়ে ছিলো। সে কারনে আমার স্ত্রী পরবর্তী সময়ে আমাকে বলে ছোট খালামনিকে আমার ভালো মনে হয়নি, সে সবার চা ভালো মত টেষ্ট করে বানালো আর আমার চায়ে ইচ্ছা করে লিকার বেশি দিলো! এরকম যে কোন ছোট ছোট বিষয় গুলো কে সে অনেক বড় বিষয় আকারে তুলে ধরে যা সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে কিছু মনে করার কথায় না। যখন সে এরকম নিগেটিভ পরিস্থিতিতে থাকে তখন তাকে তার নিগেটিভটাই সাপোর্ট না করে পজিটিভ বুঝানোর চেষ্টা করে কোন লাভ হয়না, কারন সে বুঝতেই চায়না ও তার যুক্তিতেই অটল থাকে। আর আমি হইতো সর্বদা তাকে বুঝানোর মেন্টালিটিতে থাকতে পারিনা। তখন একটু কড়া করে কথা বললেই সে অনেক কান্না কাটি করে এবং তাকে যে কষ্ট দেয় তাকে নিয়ে নিগেটিভ কথা সে অন্য মানুষকে শুনাতে থাকে। আমি আমার পরিবারের কাউকে এই কথা গুলো বলতে পারছিনা। কারন পরিবারের কেউ জেনে গেলে তাকে আবার এগুলো নিয়ে জিজ্ঞেস করলে আবার তার নিগেটিভিটি শুরু হবে। এবস্থায় আমার কি করা উচিৎ। কোন কি ওষুধ রয়েছে নাকি এভাবেই তাকে আমাকে বুঝিয়ে বুঝিয়ে ভালো রাখার চেষ্টায় করে যেতে হবে? আশা করি আমাকে একটু সঠিক পরামর্শ দিবেন, ধন্যবাদ।

Answered By : CKD

  6 days ago

আসসালামু আলাইকুম আমার বিয়ে হয়েছে ছয় মাস. আমরা যৌথ পরিবারে থাকি মূলত আমার স্বামীর মেঝ বোন সংসার পরিচালনা করেন যদিও আমার শাশুরি এখনও জীবিত তবে সংসারে আমার শাশুরির দায়িত্ব পালন করেন আমার হাসবেন্ডের বোন. যেহেতু যৌথ পরিবার আমাদের সাথে আমার মেঝ ভাশুর আর তার স্ত্রীও থাকেন. সবকিছু মোটামুটি ঠিক থাকলেও যা বুঝতে পারলাম তা হলো আমার নন্যাস মানে আমার হাসবেন্ডের বোনটা খুবই হিংসুটে মহিলা. আমরা কী খাই, কীকিন্তু করি সব উনার জানা লাগবে. আমরা ফোনে কারও সাথে কথা বললেও তার তদারকি করা লাগে. এমনকি আমরা বাবার বাসায় গেলে আমাদের ওয়্যারড্রোব, আলমারিও তিনি চেক করেন. এসব আমার হাসবেন্ড জানার পরেও আলাদা বাসা নিতে রাজি হননা. কারণ নাকি আমার শ্বশুর মারা যাবার পর সংসারের হাল ধরেন ওদের বোনটা. উনি চান উনাকে আমরা যেন সারাক্ষণ খেদমত করতে থাকি.কিন্তু উনার দেয়া মানসিক টেনশন কিছুচেই নিতে পারছি না. আমি জানি আলাদা বাসা নিলে এ সমস্যা অনেকটাই কমে যেত. অথচ আমার হাসবেন্ড সব জানার বুঝার পরেও আলাদা বাসা নিতে রাজি হচ্ছেনা. এ অবস্থায় কী করলে মানসিকভাবে ভালো থাকতে পারি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবেন প্লীজ. ধন্যবাদ

Answered By : NS

  6 days ago

প্রশ্ন করুন আপনিও